The Shadow of Barak:Now a days it is very easy to get information through digital platform but no one can say how much reliable it is.Don't worry we are introduce a new technique to publish authentic news via you.Now you are the news reporter of our web site i.e The Shadow of Barak.Send us your news through whatsapp or mail.

  • .

আজ_মাদ্রাসা_বাঁচাও_আন্দোলনের_কাছাড়_জেলা_কমিটি_গঠিত_হলো

দ্যা সেডো অফ বরাক,৯সেপ্টম্বর,রবিবার:
পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ বেলা ১ঘটিকায় যাত্রাপুর বাসটেন্ড মসজিদে মাদ্রাসা বাঁচাও আন্দোলনের ডাকে এক সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়। মূখ্য আহ্বায়ক মওলানা চৌধুরী_উসামা_মবরুর সাহেবের সভাপতিত্বে সভার শুরুতে উদ্দেশ্যে ব্যাখ্যা করেন মওলানা আব্দুল ওদুদ বড়ভূইয়া সাহেব। অতঃপর সর্বসম্মতি ক্রমে কাছাড় জেলা কমিটি গঠন করা হয়। নব গঠিত কাছাড় জেলা কমিটি নিম্নরূপ।
সভাপতি- মওলানা  ছাবির_আহমেদ_ক্বাসিমী,গুমড়া।
সহ-সভাপতি-
(১)ইউসুফ আহমেদ বড়ভূইয়া,বড়খলা।
(২)মঞ্জুর এলাহী লস্কর,শিলচর।
(৩)ফাহিম ইসলাম লস্কর।
সাধারণ সম্পাদক- মওলানা আব্দুল_ওদুদ_বড়ভূইয়া,শান্তিপুর।
সহ-সম্পাদক-
(1)উসমান গণি মাজুমদার,শিলচর।
(2)মাওলানা শাহ ফরিদ,সোনাই।
 (3)মুস্তাকিম আহমেদ লস্কর, বড়খলা।
 (4)নুর আহমেদ মাঝারভূইয়া,ভাঙ্গারপার।
প্রচার সম্পাদক- জয়েদ_আযাদ_মাজুমদার,ভাঙ্গারপার।
তাছাড়া একত্রিশ  জন সদস্য বিশিষ্ট এক শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয় এবং কেন্দ্রীয় কমিটির জন্য পাঁচজন প্রতিনিধি মনোনীত করা হয়।
আজকের এই সাধারণ সভায় বিশিষ্ট জনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,কাছাড় টাইটেল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল ওদুদ লস্কর,মাওলানা নুরুল ইছলাম,মাওলানা জহিরুল ইছলাম, কারিমগঞ্জের মাওলানা আব্দুল ওয়ারিছ সাহেব ও মাওলানা নুরুন নবী চৌধুরী,শিলচরের মাওলানা ইমরান খান,মুফতি কমরুল হুদা প্রমুখ।
Share:

গুয়াহাটির কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীতে 80 জন যাত্রী ও গাড় চালকসহ যান্ত্রিক নৌযান ডুবে যায়

দ্যা সেডো অফ বরাক,গুয়াহাটি, ৫ সেপ্টেম্বর: 
আজ দুপুর প্রায় 1.30 মিনিটে গুয়াহাটির কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীতে 80 জন যাত্রী ও গাড় চালকসহ যান্ত্রিক নৌযান ডুবে যায়। প্রায় ১২ জন যাত্রী নিজেরাই সাঁতার কেটে জীবন বাছায়, কিন্তু বাকিরা বেশির ভাগই নারী ও স্কুলে শিশু তাদের কে এখন খুজে পাওয়া যায়নি ।
 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ২৫ সদস্যের দলকে উদ্ধার তৎপরতায় অবিলম্বে কার্য দেওয়া হয়েছে।
প্রায় দুই ঘন্টা পরে, এসডিআরএফ একটি কিশোরী মেয়েকে বের করগে সক্ষম হয়। অনুসন্ধানটি এখনও চলছে।


গৌহাটি থেকে উত্তর গুয়াহাটিতে যাত্রীদের বহনকারী  বোর্টের  নদীর কিনারা পৌঁচার ২০০মিটার আগে  হটাৎ ইঞ্জিন বন্ধ  হয়ে যায়।

বেঁচে থাকা এক যাত্রী , Utplal Chamua বলেন যে তিনি উদ্ধার বাহিনীর নৌকা উপর জাম্প মেরে তার জীবন রক্ষা করেন কিন্তু বাকিরা সময় পায়নি ঝাপদেয়ার জন্য।
Share:

আগামি কাল হতে চলেছে এবদিবসও কার্যকলাপ প্রশিক্ষণ শিবির

দ্যা সেডো অফ বরাক,বিহাড়া,৫ সেপ্টেম্বর :
প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও হতে চলছে কালাইন শাখার একদিবসিও কার্যকলাপ প্রশিক্ষন শিবির ও নুতন কমিটি গঠন।তাই কালাইন শাখার পক্ষ থেকে প্রত্যেক স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীকে আগামী রবিবার কালাইন হাইয়ার সেকেন্ডারি স্কুলে সকাল ১১ ঘটিকার সময় উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানান যাইতেছে।
Share:

পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের আজান টিভিতে প্রচার না করলে টিভির লাইসেন্স বাতিলের ঘোষনা।

ইমরান খান ম্যডেল স্টাম্প ভেঙে ফেললেন,
পাকিস্তানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের আজান টিভিতে প্রচার না করলে টিভির লাইসেন্স বাতিলের ঘোষনা।
Share:

পরিত্যক্ত ডায়েরী


         দোকান থেকে আসার সময় সিগারেট নিলাম ২টা। রাতটা পার করতে হবে,রাতটাও মনে হয় অনেক বেশি হয়ে গেছে।হোস্টেলের গেটের পাশে দাড়িয়ে থাকা দারোয়ানটাও দেখছি ঝিমুচ্ছে।যাই হোক, গেইট দিয়ে প্রবেশ করা যাবেনা দেয়াল টপকে চলে গেলাম রুমে। একটা মোমবাতি জ্বালালাম।ডায়েরিটা নিলাম পুরোনো লেখাগুলো বার বার পড়ছি।প্রতিদিন ঠিক এই সময়টাতে আমি ডায়েরীতে লেখাগুলো পড়ি।
১৩,০৮,২০১৬ বিকাল ৫ টা রুমে বসে থাকতে ভালো লাগছিলোনা।ছাদে দাড়িয়ে ব্যাস্ত শহরটাকে দেখছিলাম।প্রায় বিকেলবেল আমি ছাদে এসে দাড়িয়ে থাকি।ইদানিং বাইরেও বেরুতে ইচ্ছে করেনা। হঠাৎ কোত্থেকে জানি গায়ের উপর একটা কাগজ এসে পড়লো, মনে হয় বাতাসেই উড়ে এসেছে।খুললাম,মনে হচ্ছে একটা একটা কবিতা।
নাহ কবিতা বললে ভুল হবে।একটা পেইজের মধ্যে খুব সুন্দর ভাবে মনের ভাব প্রকাশ করেছে মনে হচ্ছে।'
যিনি লিখেছেন তার নাম অবশ্য লেখা নেই। লেখাটা ছিল এইরকম,,,,,,,,
খুব ভালো লাগে মুহুর্তটা, যখন তুমি আনমনে তাকিয়ে থাকো একদিকে। তোমার উস্কখুস্ক চুলগুলো আরো বেশি ভালো লাগে।আচ্ছা তুমি আশে পাশে তাকাওনা কেন? কেন বুঝনা তোমাকে কেউ প্রতিদিন ফলো করে। কেউ তোমাকে অনেক ভালোবাসে।বিকালের অই মূহুর্তটাতে তোমাকে না দেখতে পেলে আমার কাছে পৃথিবীটাই অসহায় মনে হয়।এই তুমি হাসোনা কেন,তুমি কি জানোনা তোমার হাসির মুল্য আমার কাছে পৃথিবীটার চাইতেও বেশি।
আর বেশি পড়লাম না,  কারণ অন্যের চিঠি  আমি পড়ে কোনো লাভ নেই।আশে পাশে তাকালাম পাশের বাসার ছাদে দুইটা মেয়ের ছায়া দেখা গেলো। আমি ভাবলাম পেপারটা তাদের হতে পারে।তাই ছুড়ে মারলাম পাশের ছাদে,নেমে এলাম নিচে।
                ইদানিং সকালটা আমার রুটিনের বাইরে চলে যাচ্ছে। ঘুম থেকে উঠতে অনেক দেরী হয়ে যাচ্ছে।কলেজের  ক্লাস মিস হয়ে যাবে এই ভেবে সকালের নাস্তাটা ও করা হয়না।
 গতকাল রিক্সায় করে যাচ্ছিলাম কলেজে।হঠাত মনে হলো পাশাপাশি আমার পিছনে আরো একটি রিকক্সা।প্রায় এমন মনে হয়,পিছনে তাকালাম রিক্সায় একটি মেয়েকে দেখতে পেলাম।মেয়েটাকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে। হুম মনে পড়েছে,আমাদের পাশের বাসার গেটের সামনে প্রায় এই মেয়েকেই তো দেখতে পাই।কিন্তু মেয়েটা আমাকে ফলো করছে।ধুর! কি সব ভাবছি মেয়েটা আমাকে ফলো করতে যাবে কেন।কলেজে গেলে কয়েকটা মেয়ে দেখি আমার দিকে তাকিয়ে হাসে। মেয়েগুলাকে তো প্রায় পাশের বাসার মেয়েটার সাথে দেখি।আমি জোকার নাকি আমাকে দেখে হাসতে হবে কেন।বাসায় চলে এলাম। মনে মনে ভাবছি দিন দিন মানুসের হাসির পাত্র হয়ে যাচ্ছি ঘটনা কি? ধুর কিচ্ছু ভাল্লাগছেনা।ছাদে চলে গেলাম।মোবাইলটা পকেট থেকে থেকে বের করবো এই মুহূর্তে চোখ গেলো ছাদের এককোনে  একটা গোলাপ পড়ে আছে। পড়ে আছে বললে ভুল হবে কেউ রেখে গেছে।ফুলটা হাতে নেয়ার আগে রুমমেট সাকিনরে ডাক দিলাম।
-পাশের বাসায় তোর গফ থাকে?
-আস্তাগফিরুল্লাহ
-ফুলটা কোথা থেকে আসলো!? মন্র হচ্ছে পাশের ছাদ থেকে কেউ রেখে গেছে।
আমি আবার প্রশ্ন করলামঃআজ সারাদিনে বাসার কেউ ছাদে এসেছে?
-কই নাতো!
-ছাদে  কোনো গোলাপ গাছ নেই যে গাছ  থেকে আসবে।
-আচ্ছা যা।
-অকে
                   সেদিন ব্যাপারটা  নিয়ে আর মাথা ঘামালামণা।পরদিন যখন ছাদে গেলাম  তখন ছাদের কোনায় একটি কাগজ দেখতে পেলাম। প্রতিবারের মতো এবারো হাতে নিলাম।পড়লাম কবিতাটা, বাহ,সুন্দরতো এবার আর সংকোচ না করে কাগজটা পকেটে পুরে নিলাম।কবিতাটা বার বার পড়তে লাগলাম,। সে রাত কবিতাটার দিকে চেয়ে কাটিয়ে দিলাম।অপেক্ষা করতে লাগলাম পরদিন বিকালের। কারন পরদিন বিকাল মানেই আরো একটি কবিতা।হুম প্রতিদিনি কেউ একজন কবিতা রেখে যায়।মাঝে মাঝে ভাবি অন্যের কবিতাগুলো এনে আমি অন্যায় করছি। কারণ কবিতাটা হয়তো অন্য কারো প্রাপ্য। পরে আবার লোভ সামলাতে পারিনা।
ধীরে ধীরে ভালোবাসতে লাগলাম কবিতাগুলোকে।এতদিনে তার কবিতাগুলো পরে একটা জিনিস বুঝতে পেরেছি যে, যিনি লিখেছেন তিনি একজন মেয়ে।মেয়েটার কবিতা গুলো এতো সুন্দর। না জানি মেয়েটা কত সুন্দর।আচ্ছা কবিতাগুলো ওর না তো?কিছুদিন আগে পাশের বাসার ছাদে একটা মেয়েকে দেখেছিলাম?কলেজে ইদানিং যাওয়া হচ্ছিলোনা।আজ অনেকদিন পর বেরুলাম।আমার অবশ্য রিক্সা পেতে কস্ট হয়না। রিক্সাওয়ালা মনে হয় যানেন আমি কোন সময় বের হব।আবার মনে হয় কেউ একজন আমার জন্য রিক্সা ঠিক করে রাখে। না হ কি যা তা ভাবছি? অন্য কেউ কেনো আমার জন্যে রিক্সা ঠিক করে রাখবে।কলেজে যাওয়ার পর আবার সেই প্যারা সহ্য করতে হল। সেই মেয়ে গুলার কাহিনী।আচ্ছা মেয়েগুলার ঘরে কি বাপ, ভাই নেই?যাক আমার ওত ভেবে কাজ নেই।বিকালে একটা সিদ্ধান্ত নিলাম।আজ সেই মেয়েটিকে দেখবোই যে ছাদের উপর কবিতা রেখে যায়।দুপুরের খাবার খেয়ে সোজা ছাদে চলে গেলাম, আর লুকোলাম ছাদের এক কোণায়।হঠাত একটা মেয়েকে দেখলাম তাদের বাসার ছাদ ক্রস করে আমাদের বাসার ছাদে আসছে।দুই বাসার ছাদ জোড়া লাগানো যার ফলে আসতে কস্ট হচ্ছেনা।মেয়েটাকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে। হ্যা মনে পড়েছে পাশের বাসার মেয়েটি। যাকে আমি প্রতিদিনা গেইটেএ সামনে দাড়িয়ে থাকতে দেখি।আর মেয়েটার হাতে কি? কাগজ মনে হচ্ছে। তারমানে কবিতা গুলো এই মেয়েটা দিয়ে যায়।নাহ আর ভাবতে পারছিনা। বেরিয়ে এলা।এলাম আড়াল থেমে ডাকলাম মেয়েটিকে।
-এই যে দাড়ান।(মেয়েটি অপরাধির মতো ঘাবড়ে গেল)
-জি বলুন।
-কবিতাগুলো তাহলে আপনার লেখা।
-ইয়ে মানে হ্যা।
-কারো জন্যে রেখে যান প্রতিদিন তাইনা?
-হুম
-আমিতো অনেক বড় ভুল করে ফেলেছি।
-কি?
-আপনার সবগুলো কবিতা আমি নি গিয়েছি।কারণ কবিতাগুলো আমার খুব ভালো লাগে।
-সমস্যা নেই। সেগুলো আপনার জন্যেই লেখা।
-কি?আমার জন্যে লেখা?আমার জন্যে আপনি কবিতা লিখতে যাবেন কেন।
-কারন আমি আপনাকে ভালোবাসি।অনেক আগে থেকে আপনার সামনে আসার সাহস হতনা তাই দূর থেকে দেখতাম।  প্রতিদিন রিক্সায় করে আপনাকে ফলো করতাম।আর আপনার বাসার সামনে আমি ই আপনার জন্যে রিক্সা ভাড়া করে রেখে দিতাম।আর কলেজে মেয়েগুলো আপনাকে দেখে হাসতো কারন তাদের আমি বলেছিলাম আমি আপনার গফ।
-আমি খুব ভাগ্যবান।
-কেন।
-কারণ এমন একটি মেয়েকে পেয়েছি যে আমাকে অনেক ভালোবাসে।বিশ্বাস কর আমিও তোমার কবিতাগুলোকে অনেক বেশি ভালোবেসে পেলেছিলাম।এবং সেই মানুসটিকে যে কবিতাগুলো লিখেছে।
-সত্যি
-হুম
         
সেদিন  তাকে কথা দিয়েছিলাম সারাজিবন তার হাতটি ধরে রাখবো। কিন্তু পারলাম না।
ক্যান্সার ধরা পরে তার শরীরে। রিলেশনের কিছুদিন পরেই।
আর তাকে ছাড়তে হয় পুরো পৃথিবীটা।
আমি হয়ে যাই একা, বড় একা।সিগারেটটা ছাড়া আর অন্য কেউ আমাকে সংগ দিতে চায় না।এভাবেই হয়তো কেটে যাবে আমার জিবনের বাকি দিনগুলো।আর মাঝে মাঝে মনে পড়বে সেই পরিত্যক্ত ডায়েরিটার কথা যেখানে আছে আমার আর তার হাজারো স্মৃতি।

                                                                                                                    - লেখকঃসাব্বির আহমেদ
Share:

নাগরিকপঞ্জি

হে স্বদেশ,হে মানুষ,হে ন্যস্ত-শাসন
নাগরিকপঞ্জি নবায়নে হেনাস্থা অকারণ
চাই সঠিক বিচার সু-শাসন
চলছে বাঙালির লাগাতার দংশন।

বিদেশী তকমায় ভয়ার্ত অহর্নিশি
ঈশানে আজ শত্রুর পদধ্বনি
ব্যাকুল কণ্ঠে অশ্রুর জলাঞ্জলি
দেখো বিবেক শরশয্যায় বাঙালি।

ওরা কেউ ভুঁইফোড় নয়
এসেছে পৃথিবীতে
ঠাঁই পেতে আকাশ দেখে
দেশের মাটিতে
কোন দেশ কার এই মাটি
ওরা জানতে চায় না
দুমুঠো খাওয়া শান্তির ঘুমে
ওরা উদ্বাস্তুর যন্ত্রণা।
      
                           -বিক্রমজিৎ দাস
Share:

বিজেপির বিধায়ক দিলিপ কুমার পালরের উপরে মোভ লিঙ্চিংয়ের অভিযোগে মামলা দায় করা হল।

দ্যা সেডো অফ বরাক,শিলচর, 3 সেপ্টেম্বর: শিলচরের বিজেপির বিধায়ক এবং আসামের প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার দিলিপ কুমার  পালকে রাজ্যের একটি মোব লিঙ্চচিং  জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ঘটনাটি অম্বিকাপাতি, শিলচরের কাছাকাছি ঘটেছে।

একটি প্রেমিক-জিহাদের অভিযোগে একটি যুবককে রাস্তার মাঝখানে পুরুষের একটি দল মারাত্মকভাবে মারধর করে। আক্রমণের একটি ভিডিওও সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযোগ করা হয়েছে যে এই ঘটনায় "বিধানসভা কর্তৃক নির্দেশনা অনুযায়ী" ঘটনাটি ঘটেছে।

পল এবং শ্বশুরের দুই শাখার বিরুদ্ধে সিলেটের সদর থানার একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।মোব লাঙ্চিং   ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ঘটনাটি অম্বিকাপট্টি, শিলচরের কাছাকাছি ঘটেছে। একটি যুবককে লাভ জিহাদের অবভিযোগে রাস্তার মাঝখানে একটি দল মারাত্মকভাবে মারধর করে। আক্রমণের একটি ভিডিওও সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযোগ করা হয়েছে যে এই ঘটনায় "বিধানসভা কর্তৃক নির্দেশনা অনুযায়ী" ঘটনাটি ঘটেছে।

পাল এবং তার দুই বডি গার্ডের র্বিরুদ্ধে শিলচর সদর থানার একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


Share:

মাত্র ৩ লক্ষ টাকার জন্য মনিকাকে ভূগতে হচ্ছে বিরল রোগের জন্য!

দ্যা সেডো অফ বরাক,২সেপ্টম্বর:
মনিকা পাল, কালাইন ধুমকরের ১৭ বৎসরের মেয়ে বিরল রোগে আক্রান্ত, মনিকার বাবা কৃপাময় পাল অত্যন্ত দরিদ্র, মেয়ের চিকিৎসার খরছের যোগান ধরতে তিনি অপারগ। হায়দ্রাবাদের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ গেস্ট্রোএন্ট্রলজির চিকিৎসকরা মনিকাকে প্যানক্রিয়াইটিসে অপারেশন করতে বলেন , তার জন্য প্রয়োজন ৩ লক্ষ টাকা।মনিকার বাবা সকলের কাছে অর্থসাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

ইতিনমধ্যে কাঠিগড়ার মাননীয় বিধায়কের বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয়েছে , বিধায়ক মহাশয় অতি দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন ।

আমি বরাকের সকল সহ্রিদয় ব্যক্তিকে মনিকাকে সাহায্যের আবেদন জানাই । আপনাদের ছোট ছোট সাহায্য মনিকাকে সুস্থ হতে সাহায্য করবে ।।

আপনারা এই ব্যাঙ্ক একাউন্টে মনিকাকে সাহায্য করতে পারেন
A/C No 2014000100069106
A/C Holder Ajit Paul
Punjub National Bank ( Hilara Branch)
IFSC Code PUB0201400

মনিকার কাকু অমিত পালের নম্বর- 9954351500
Share:

কৈলাশ, মানস সরোবর আওর বাদশাহ আওরঙ্গজে

ভারতের সনাতনী ধর্মাবলম্বীরা যতো আস্থা- ভরসা ভগবান শিবের উপরে রাখেন ততো আস্থা-ভরসা ভগবান রামচন্দ্রের উপরে রাখেন না। এর প্রমাণ স্বরূপ ভারতে এবং বিদেশে যতো শিব মন্দির এবং শিবলিঙ্গ আছে তার অর্ধেক মন্দির  ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের নেই।

ধার্মিক মাহাত্ম্যের কথা যদি বলি শিবকে ভগবান হিসেবে শ্রদ্ধা করা হয়, আর রামচন্দ্রকে ঈশ্বরের অবতার পুরুষোত্তম  অর্থাৎ পুরুষদের মধ্যে সর্বোত্তম অর্থাৎ মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয়।


এই ভূ-পৃষ্ঠের উপরে কমপক্ষে 12 টি স্থানে রামচন্দ্রের জন্মভূমি বলে গণনা করা হয়, এবং সেই সব স্থানকে রামজন্মভূমি হিসেবে মন্দির তৈরী করা হয় এবং পূজাপাঠ করা হয়। যার মধ্যে পাঁচটি স্থান অযোধ্যাতে অবস্থিত, অবশিষ্ট কুরুক্ষেত্র, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান এবং থাইল্যান্ডে আছে।

বলার অর্থ হচ্ছে রামচন্দ্রের জন্মভূমি নিয়ে সনাতনী ধর্মাবলম্বীরাই একমত নন। যদিও তারা শিবের বসবাস স্থল 'কৈলাশ মানস সরোবর' নিয়ে কারোর কারোর দ্বিমত নেই, অর্থাৎ সবাই একমত আছেন এবং কোনোও প্রকারের কোনোও বিবাদ-বিসম্বাদ নেই এবং আজ পর্যন্ত হয়নি।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে আজ পর্যন্ত ভারত বা ভারত শাসক বা আট শত বছরের পরে ভারতের ভাগ্যবিধাতার পদে অধিষ্ঠিত শুদ্ধ হিন্দু শাসক কোনোদিন 'কৈলাশ মানস সরোবর' কে চীনের কব্জা থেকে মুক্ত করার জন্য না কোনোও চেষ্টা করেছেন না মুক্ত করার জন্য কোনোও প্রকারের আন্দোলন করেছেন।

অর্থাৎ ভগবান শিবের বসবাস স্থল এখন চীনের কব্জায়। আর তাকে মুক্ত করানোর জন্য কোনোও সরকার চেষ্টা ও করেননি। যেখানে 12 টি স্থানে জন্মগ্রহণকারী ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের জন্মভূমি নিয়ে  পুরো দেশে মহাভারত হয়ে গেছে এবং এখনও হচ্ছে।

স্বাধীনতার পরে চীন "কৈলাশ পর্বত ও কৈলাশ মানস সরোবর" এবং অরুনাচল প্রদেশের এক বৃহৎ ভূ-খন্ড জোরজবরদস্তি  নিজেদের কব্জায় নিয়ে নেয়, এবং আধিপত্য বিস্তার করে। দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী 'জওহরলাল নেহরু' UNO যান এবং দাবী জানান চীন অবৈধভাবে ভারতের এক বিশাল ভূ-খন্ড কব্জা করে রেখেছে। সেই ভূ-খন্ড ভারতকে ফেরৎ দেওয়া হোক।

ভারতের এমন দাবীর উত্তরে চীন জানায় - আমরা ভারতের কোনোও ভূ-খন্ডে জোরজবরদস্তি কব্জা করে রাখিনি। আমরা আমদের দেশের সেইটুকু ভূ-খন্ড ফেরৎ নিয়ে নিয়েছি যেটুকু 1680 খ্রিস্টাব্দে ভারতের এক বাদশাহ চীনের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। চীনের এই জবাব আজোও UNO তে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।

আপনারা জানেন চীন কোন বাদশাহ নাম নিয়েছিল? "বাদশাহ আওরঙ্গজেব।"

আসলে চীন এর পূর্বে ও ভারতের ঐ অংশে কব্জা করে রেখেছিল। বাদশাহ আওরঙ্গজেব চীনের চিং রাজবংশের রাজা 'প্রথম শুংজী' -কে পত্র প্রেরণ করেন। সেই পত্রে বাদশাহ আওরঙ্গজেব আবেদন করেন- "কৈলাশ মানস সরোবর হিন্দুস্থানের অংশ, এবং আমার হিন্দু ভাই-বোনদের আস্থার কেন্দ্র। অতএব আপনারা হিন্দুস্থানের ঐ অংশ মুক্ত করে দিন।"

কিন্তু দেড় মাস পরেও চীনের রাজা 'প্রথম শুংজী' -এর কোনোও উত্তর না পেয়ে বাদশাহ আওরঙ্গজেব চীনের উপরে আক্রমণ করে দেন। বাদশাহ আওরঙ্গজেবের সঙ্গে এই যুদ্ধে ছিলেন কুমাঁউ -এর রাজা 'বাজ বাহাদুর চন্দ্র'। তিনি বাদশাহ আওরঙ্গজেবের সঙ্গে কুমাঁউ-এর পথ দিয়ে দেড় দিনে চীন পৌঁছে যান এবং দেড় দিনে চীনের কাছ থেকে ভারতের ভূ-খন্ড ছিনিয়ে নেন।

ইনি সেই বাদশাহ আওরঙ্গজেব যাকে কট্টরপন্থী ইসলামিক বাদশা এবং 'হিন্দুকুশ', 'হিন্দু বিরোধী' বলা হয়। কেবলমাত্র তিনিই সাহস দেখিয়ে ছিলেন এবং সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে দিয়েছিলেন।

ইতিহাসের এই অংশের প্রমাণ যদি চান তবে স্বাধীনতার সময়কালের UNO -তে আজোও সংরক্ষিত করে রাখা সেই দলিল, সেই হলফনামা দেখে আসতে পারেন।

#Reference:

History of Uttaranchal, Written by- O. C. Handa

The Tragedy of Tibbat- Manmohan Sharma

(অনুবাদিত- National Speak News Portal -এ প্রকাশিত, জাহিদ এর লেখা)
Share:

অবশেষে প্রকাশ হল NIOS d.el.ed এর রিজাল্ট

দ্যা সেডো অফ বরাক,৩১ আগষ্ট: অবশেষে প্রকাশ হল Nios  d.ed.edএর প্রথম সেমিস্টারের ৫০১.৫০২.৫০৩ রিজাল্ট।
রিজাল্টা দেখার জন্য ভিজিট করুন NIOS এর অফিসেল সাইট:http://www.nios.ac.in
অথবা নিছের নিঙ্কে গিয়ে দেখতে পারেন।http://dled.nios.ac.in/attendancelogin/ResultISem.aspx

Share:

Ki ki চেলেন্জ করতে গিয়ে জেলে যেতে হল দুই যুবককে!

দ্যা সেডো অফ বরাক,৩০ আগষ্ট:
জম্মু ও কাশ্মিরের রাজউরি জেলার ২টি ছেলেকে Veenesh Chibber and Chetan Bali, বাস্তায় কিকির গানের মিউজিক এর সঙ্গে নাছতে গিয়ে পুলিসের হাতে ধরা পড়ল। পুলিস সঙ্গে সঙ্গে কারাগারে বন্ধি করে নেয়।

চ্যালেঞ্জটি ক্রমবর্ধমান গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার এবং কানাডিয়ান র্যাপার ড্রেকে এর সর্বশেষ গান 'ডু ইউ লাব মি' এর পাশাপাশি ডাস্ছ করে।
Sourced from PTI
Share:

২০২০ সালের মধ্যে পরিষ্কার হবে গঙ্গা নদী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন্দ্রনাথ গডকড়ী


কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন্দ্রনাথ গডকড়ী আশা প্রকাশ করেন যে, ২০২০ সালের মধ্যে গঙ্গা নদীটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে যাবে, যার গতির পুনর্বিবেচনা কর্মসূচি চলছে।

তিনি বলেন, নোমামি গঞ্জে মিশনের অধীনে ২২১ টি প্রকল্পের অধিকাংশই মূল্যবান।  ২২২৩৮ কোটি টাকা সমাপ্তির জন্য পর্যাপ্ত।

"এটি একটি কঠিন কাজ, কিন্তু আমরা সম্পন্ন করব," ওয়াটার রিসোর্স  ও গঙ্গা পুনর্বাসনমন্ত্রী বলেন।
Sourced from PTI.
Share:

৯৯.০৩ % মুদ্রারহিতকরণ টাকা ফেরত পেলো জানিয়েছে RBI

দ্যা সেডো অফ বরাক,২৯ আগষ্ট: RBI এর বাৎসরিক রিপোর্ট ২০১৭-২০১৮ জানিয়েছে যে মুদ্রারহিতকরণ এর ৯৯.০৩% পুরোনো টাকা
ফেরত পেয়েছে ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যেমে ,মাত্র ০.৭% টাকা এখনও পর্যন্ত আইডিন্টিফাই করতে পারেনি RBI।এখন প্রশ্ন হল এটা মাত্র ০.৭% এর জন্য কি নরেন্দ্র মোদি মুদ্রারহিতকরন করে ছিলেন?
       ঠিক মুদ্রারহিতকরন করার এক সপ্তাহ পর নরেন্দ্র মোদি বলে ছিলেন আমি আপনাদের কাছ থেকে শুধু মাত্র ৫০দিনের সময় নিচ্ছি,আমি যদি কোন ধরনের ভূল করে থাকি তথবা কোন ধরনের খারাপ মনোভাব পেয়ে থাকেন তাহলে আমি প্রস্তুত আছি দেশ বাসির কাছ থেকে শাস্তি  পাওয়ার জন্য এবং জনগন আমাকে রাস্তার যে কোন মূড়ে দাড়িয়ে শাস্তি দেবে আমি মেনে নেব।
     
Share:

Followers

Information Corner

Contact Us

Name

Email *

Message *

Popular Posts

Search

Blog Archive

Powered by Blogger.

Labels

Recent Posts